মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

মুক্তিযুদ্ধে নবাবগঞ্জ

নবাবগঞ্জ উপজেলারমহান স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধে নবাবগঞ্জর মুক্তি পাগল মানুষের রয়েছে অমর সাফল্য গাথা। যা আমোদের মুক্তিযুদ্ধকে সমৃদ্ধ করেছে। ১৯৭১ সালে ১লা এপ্রিল নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তৎকালীন গণ পরিষদ সদস্য আবু মোহাম্মদ সুবিদ আলী টিপুর নেতৃত্বে সর্বপ্রখম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। সে সময় পকাতা উত্তোলন কালে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার বদিউজ্জামান বদি, শওকত হোসেন আঙ্গুর, আঃ বাতেন মিয়া, মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ আরও অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা। নবাবগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলতে গেলে যার নাম সর্বাগ্রে আসে তিনি হলেন আজিজুর রজমান ফকু।

 

নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘঠিত হয়। নবাবগঞ্জে পাকসেনাদের প্রধান ক্যাম্প ছিল নাওপাড়া, গালিমপুর, চুড়াইন, আগলা। ১৯৭১ সনে আগলা, গালিমপুর, চুড়াইনেমুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং আলোচিত যুদ্ধসংগঠিতহয়। ১৯৭১ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর বিকাল ৪.০০ টার দিকে নদী পথে (ইছামিত) ঢাকা থেকে এম.এল পয়েন্টার নামক লঞ্চযোগে বিপুল সংখ্যক পাকসেনা নবাবগঞ্জ অভিমূখে আসার পথে গালিমপুর পৌছানোরসাথে সাথে আগে থেকে প্রস্ত্তত থাকা মুক্তিবাহিনীর সদস্য রাতিন দিক থেকে লঞ্চ আক্রমন করে।  আক্রমনের সাথে সাথে লঞ্চের চালক দিক বিদিক জ্ঞানশুন্য হয়েনদীর চরায় লঞ্চটি ঠেকিয়ে দেয়। শুরু হয় তিন দিক থেকে গুলি বর্ষন।তিন দিন যুদ্ধ চলার পর লঞ্চে থাকা ৪৫জন পাকসেনা সবাই নিহত হয়। ঐ দিন যুদ্ধে শহীদ হন বেনুখালীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহীম । ঐ যুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন জনাব নাসির উদ্দিন খান এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন জনাব মোশারফ হোসেন খান। যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন নবাবগঞ্জ-দোহার এবং শ্রীনগরেরবীর মুক্তিযোদ্দারা। যুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় ভারত থেকে আসা নবাবগঞ্জের কমান্ডার জনাব শওকত হোসেন (আঙ্গুর) ঐ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। পাকসেনাদের গ্রুপ প্রধান ছিলেন ক্যাপ্টেন জাফর উল্লাহ্ খান। তিনিও ঐ যুদ্ধে নিহত হন।

 

১৯৭১ সনে নভেম্বরে নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুলে পাকসেনাদের ক্যাম্প আক্রমন করা হয়। রোজার মাসে তারাবির নামাজের পরই মুক্তিযোদ্ধারা তিন দিক থেকে আক্রমন করে ক্যাম্পটি ধ্বংশ করেনএবং ১৭/১৮জন পাকসেনাদের হত্যা করেন। জীবিতদের কেঢাকা থেকে এসে পাকসেনারা নিয়ে যায়।